টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারতভিত্তিক ম্যাচ সরানোর দাবিতে বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত ব্যর্থ হওয়ায় তাদের বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পাকিস্তানও বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাহলে কোন দল তাদের জায়গা নেবে।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)-এর চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি বলেছেন, দেশের সরকারের নির্দেশনার ওপর তাদের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নির্ভর করছে। তিনি বলেন, “পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এখন দেশে নেই। তিনি ফিরলে সরকার কী নির্দেশ দিবেন, সেই অনুযায়ী আমাদের চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারিত হবে। আমরা সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে চলব, আইসিসির নয়।”

আইসিসি জানিয়েছে, বিকল্প দল বাছাই করার ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বাংলাদেশ বাদ পড়ায় স্কটল্যান্ড তাদের জায়গা নিয়েছে, কারণ তারা বাছাইপর্বে উত্তীর্ণ না হওয়া সত্ত্বেও সর্বোচ্চ র‍্যাংকিংধারী দল ছিল। একই নিয়ম অনুসারে, পাকিস্তান যদি সরে দাঁড়ায়, তবে পরবর্তী র‍্যাংকিং অনুসারে উগান্ডা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য উগান্ডার গত দুই বছরে টি-টোয়েন্টিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে তাদের সাফল্য চোখে পড়ার মতো। উগান্ডার পরে বিকল্প দলের তালিকায় রয়েছে পাপুয়া নিউগিনি, এরপর কুয়েত, হংকং এবং মালয়েশিয়া।

আইসিসি জানিয়েছে, যদিও র‍্যাংকিং প্রাথমিক মানদণ্ড, বিকল্প দল বাছাইয়ের সময় তাদের ভ্রমণ প্রস্তুতি, স্কোয়াডের সক্ষমতা এবং টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা বিবেচনা করা হবে। বিশ্বকাপের শুরুর সময় এখন মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। বিকল্প দল নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে তখনই, যখন পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে জানাবে তারা অংশগ্রহণ করছে কি না।

আইসিসি এমনভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে যাতে টুর্নামেন্টের সূচি অখণ্ড থাকে এবং অংশগ্রহণকারী দল ও ভক্তদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। বিকল্প দলের সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাবে।