ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্রপতি হবেন সেই ব্যক্তি যিনি সততা, যোগ্যতা ও নিষ্ঠায় সম্পূর্ণ প্রমাণিত। তিনি স্পষ্ট করেছেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব নেওয়ার মূল শর্ত হলো জনগণের আস্থা অর্জন করা এবং দেশের মর্যাদা রক্ষা করা।
শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকার উত্তর ইব্রাহিমপুর, ব্যাটেলিয়ন বউ বাজার সংলগ্ন বাইতুস সালাত জামে মসজিদে মাগরিবের নামাজের পর ডা. শফিকুর রহমান গণসংযোগ শুরু করেন। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, তাদের সমস্যার খোঁজখবর নেন এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের জন্য জনগণের ধৈর্য ও সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
রাষ্ট্রপতি বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ নয়; এটি একটি আমানত। যাদের হাতে এই আমানত দেওয়া হবে, তারা অবশ্যই সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। দেশের মানুষ ন্যায়বিচার, শান্তি ও সুশাসন চায়। আমরা চাই এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে কেউ রাজনৈতিক কারণে নির্যাতিত হবে না।”
তিনি কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে জনগণকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করার আহ্বান জানান: “ইন্নাল্লাহা মা’আসসোবিরীন—নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।” ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন জনগণ; তাই নেতৃত্বে যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিত্ব থাকা আবশ্যক।
গণসংযোগে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির ও ঢাকা-১৫ আসনের পরিচালক আব্দুর রহমান মুসা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি লস্কর মুহাম্মদ তসলিম, ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, কাফরুল দক্ষিণ থানার আমির আনওয়ারুল করীম এবং সেক্রেটারি আবু নাহিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষমতায় গেলে সরকারী নেতৃত্বে শুধুমাত্র যোগ্য ও নিষ্ঠাবান ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া হবে, যা দেশের জন্য ন্যায্য ও সুষ্ঠু শাসন নিশ্চিত করবে।