ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন–এর পরিপত্র অনুযায়ী, প্রদত্ত মোট ভোটের এক–অষ্টমাংশ (১২.৫ শতাংশ) ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত ফলাফলপত্র যাচাই করে এ তথ্য জানা গেছে।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখানে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম ৮৬ হাজার ৮১১ ভোট পেয়ে এগিয়ে থাকেন। এ আসনে মোট ভোট পড়ে ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৬২টি (৫৭.৯৩%)। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ২০ হাজার ৩৭০ ভোট। জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, এনডিএম, গণঅধিকার পরিষদ ও বাসদসহ কয়েকজন প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনে ৭ জন প্রার্থী ছিলেন। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন। মোট ভোট পড়ে ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৭০টি (৬০.১৭%)। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৭ হাজার ১৫৮ ভোট। কয়েকটি ছোট দলের প্রার্থীরা নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এখানে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ১ লাখ ৩৫ হাজার ৬১২ ভোট পান। মোট ভোট পড়ে ২ লাখ ৭২ হাজার ৪৩০টি (৬১.২৯%) এবং জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩৪ হাজার ৫৩ ভোট। জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন, এলডিপি ও এনপিপির প্রার্থীরা জামানত হারান।

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৯ জন প্রার্থী ছিলেন। ধানের শীষ প্রতীকের এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে থাকেন। মোট ভোট পড়ে ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৬৭টি (৫৭.৬৩%)। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল প্রায় ৩০ হাজার ১২০ ভোট। ইসলামী আন্দোলন, জেএসডি, বাসদ, গণঅধিকার পরিষদ ও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্ধারিত ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান।

ইসির বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।