ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, আগামী নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রকে নিরাপদ রাখতে তরুণদের সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, “আজকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে, কিছু অপপ্রচার ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই আমাদের প্রতিটি কেন্দ্র, আমাদের মা-বোন এবং আত্মীয়জনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমরা পারব।”

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখা আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন সাদিক কায়েম। তিনি নাগরিকদের নিরাপদ ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের ওপর তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের মাধ্যমে ইনসাফের প্রতিনিধিরা প্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাসার ভাইকে ব্যাপক ভোটে নির্বাচিত করে ডা. শফিকুর রহমানকে দেশের জন্য নতুন উপহার দেবেন। তিনি কালিগঞ্জে গত ১৬ বছরে রাজনৈতিক আন্দোলনে জীবনের ঝুঁকি নেওয়া এবং আত্মত্যাগ করা ভাই-বোনদের ত্যাগকে স্মরণ করেন। “যেসব ভাই-বোনের বাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, যারা চাকরি হারিয়েছে, মায়েদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে, তাদের প্রতিফলনেই আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি,” যোগ করেন তিনি।

সাদিক কায়েম আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে মানবিক এবং ইনসাফপূর্ণ দেশ। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর বিজয় বা পরিবারের লাভ নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের বিজয়ই প্রধান লক্ষ্য।

জনসভায় তিনি সাতক্ষীরার চারটি আসনের জামায়াত প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করতে উপস্থিত নেতাকর্মী ও ভোটারদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান। সভায় কালিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-৩ সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহাদ্দিস রবিউল বাশার, জামায়াতে ইসলামীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী, সাতক্ষীরা জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য স. ম. সালাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলনের সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা শহর শাখার ছাত্রনেতা আল মামুন ও মেহেদী হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।